দেশে লোডশেডিং ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় শুধু নৈরাজ্যকর কথা বললে হবে না, সরকারের মন্ত্রীদের আরও তৎপর হতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দল আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে সেটি কৃত্তিম সংকট। এটি বিএনপি সরকারের কোনো ব্যর্থতা নয়। এবং এমন নয় যে এটি মোকাবিলা করা যাবে না। জনগণকে বোঝাতে হবে, তাদের আশ্বস্ত করতে হবে। শুধু নৈরাজ্যকর কথা বললে হবে না, সরকারের মন্ত্রীদের সব সংকট মোকাবিলায় আরও তৎপর হতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজশাহীতে গতকাল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। এই সংকট মোকাবিলা করতে সরকারকে আরো তৎপর হতে হবে। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে আরো তৎপর হতে হবে। গরম মোকাবিলা করার জন্য সারাদেশে যে তাপ প্রবাহ চলছে সেটা মোকাবিলা করার জন্য, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সংকট নাই বলে চলবে না।
৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংকট মোকাবিলার জন্য সরকারের মন্ত্রীগুলোকে তীক্ষ্ণ হতে হবে। শুধু নৈরাজ্যকর কথা বললে হবে না। দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করতে হবে। নানা কারণে এটা হয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে যুদ্ধের কারণে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ইরান থেকে জাহাজগুলো আসতে পারতেছে না যার কারণে জ্বালানি তেলের সংকট হচ্ছে। কিন্তু এটা কৃত্রিম সংকট। এক্ষেত্রে যে দাম বেড়েছে এটা খুবই ন্যাচারাল, কিছু এমপি মন্ত্রীরা পার্লামেন্টে বলেছেন এটাকে সংকট বলা যাবে না, যেটা সত্য সেটা বলুন। আন্তর্জাতিক কারণেই তো জ্বালানি সংকট এটা বিএনপির কোনো ব্যর্থতা নয়। যদি বিএনপি সরকারের ব্যর্থতার কারণে হতো, তাহলে একটা কথা ছিল। সংকটটা আন্তর্জাতিক কারণে হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এটা হয়েছে’ বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড. সুকোমল বড়ুয়া, অধ্যাপক ডক্টর আব্দুস সাত্তারসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।