আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজেও সম্ভবত একাদশে সুযোগ হচ্ছে না সৌম্য সরকারের। টিম ম্যানেজমেন্ট এই সিরিজের জন্য ঠিক করে রেখেছে সাইফ-তামিম জুটি, যা দেখা গেছে সর্বশেষ সিরিজেও। প্রধান কোচ ফিল সিমন্স অবশ্য সৌম্যকে কিছুটা দুর্ভাগাই মানছেন। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে নিজের সর্বশেষ ওয়ানডেতে ৮৬ বলে ৯১ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন সৌম্য। ঠিক তার আগের ম্যাচে করেছিলেন ৪৫ রান। এমন ক্রিকেটার কিনা পাকিস্তান সিরিজে একটি ম্যাচেও সুযোগ পাননি। এমনকি নিউজিল্যান্ড সিরিজেও ভাবনায় নেই বলা চলে।
কারণ তানজিদ তামিমের সাথে সাইফ হাসানকেই আবারো ওপেনিংয়ে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে দল। ফিল সিমন্স বলেন, ‘সৌম্য দারুণ। তবে আমাদের একজনকে বেছে নিতে হতো। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর বিপিএল ও বিসিএলের মাঝখানে অনেক দিন সে খেলায় ছিল না। দুর্ভাগ্যজনক যে ভালো করেও খেলতে পারছে না। তবে সে চেষ্টা করছে।’
তামিম তো ফর্মে আছেনই। সাইফের ওপর আস্থা জানিয়ে সিমন্স আরও বলেন, ‘গত ম্যাচে ভালো পার্টনারশিপ হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচেও ভালো করেছে ছেলেরা। সাইফ ভালো করেছে, আশানুরূপ পারফরম্যান্স করেছে। ওপেনিং জুটি এখন মনে হচ্ছে স্যাটেল।’ এর ফলে এবারের সিরিজেও কি পানি টানতে হবে সৌম্য সরকারকে? এই প্রশ্নও এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রিকেটবোদ্ধাদের মনে।
এদিকে লিটন দাস মূলত ওপেনার হলেও দলের স্বার্থ বিবেচনা করে ওয়ানডে দলে খেলছেন চার নম্বরে। তাকে ঘিরেও টপ অর্ডার সংক্রান্ত আলাপ চলছে। যদিও সিমন্স জানালেন, একাদশ নিয়ে এখনও সেভাবে বসা হয়নি। তবে মানছেন, দলের প্রত্যেকেরই আছে যেকোনো পজিশনে খেলার সামর্থ্য। একইসাথে ব্যাটিংয়ে ঘাটতি আর উন্নতি নিয়েও কথা বলেছেন সিমন্স, ‘আমাদের সব ব্যাটারই তো মনে হচ্ছে ঘরোয়া ক্রিকেটে টপ অর্ডারে খেলে। মিরাজ হোক, অঙ্কন হোক, সবাইই তো দেখি টপ অর্ডারে খেলে। জাতীয় দলে বিভিন্ন পজিশনে জায়গা করে নিতে হয় মানিয়ে নিতে হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোথায় খেলেছেন সে অনুযায়ী নয়।’
কোচ আরও বলেন, ‘আমাদের সব দিক দিয়েই উন্নতির সুযোগ আছে। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। ৫-৬ নম্বর নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। অবশ্যই উন্নতির জায়গা আছে। শেষ ১০ ওভারে ভালোই তো করছি। শেষ ওয়ানডেতে শেষ ১০ ওভারে ৮০ রানের মতো করেছি। আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে।’