সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় গতকাল রাতে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৪-৩ গোলে হেরেছে রিয়াল।
এর আগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে লস ব্লাঙ্কোসরা হেরেছিল ২-১ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে বায়ার্নের কাছে ৬-৪ গোলে হেরে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গেছে রিয়াল।
রিয়াল মাদ্রিদের নাটকীয় বিদায়ের পর দলের বাস ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে রেখে বিমানবন্দরে চলে গেছে। পরে ভিনিসিয়ুসকে যেতে হয়েছে কারে।
রিয়ালের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের টিম বাসে না থাকার কারণ, খেলা শেষে তার বাধ্যতামূলক ডোপ পরীক্ষা করাতে প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি লেগে যাওয়া। স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কা ও ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডট কম এই তথ্য জানিয়েছে।
আলিয়াঞ্জ অ্যারোনায় কাল রাতে ম্যাচ শেষে রিয়াল খেলোয়াড়েরা লকার রুমে ফিরে গোছগাছ করার পর একে একে টিম বাসে উঠতে থাকেন। ভিনিসিয়ুসও বাসের দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রুটিন ডোপ পরীক্ষার অংশ হিসেবে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। ফলে তিনি স্টেডিয়ামেই আটকা পড়েন।
রিয়ালের লজিস্টিকস দল যখন জানতে পারে, ভিনির ডোপ পরীক্ষা সম্পন্ন হতে সময় লাগবে, তখন তারা ভিনিকে রেখে মিউনিখ বিমানবন্দরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ভিনি একটি কারে চড়ে বিমানবন্দরে যান।
ফিফার কঠোর অ্যান্টি ডোপিং নীতিই এর কারণ। খেলোয়াড়রা চাইলেই এই পরীক্ষা এড়িয়ে যেতে পারেন না।
কোনো খেলোয়াড় পারফরম্যান্স বাড়ানোর নিষিদ্ধ ওষুধ সেবন করে দোষী সাব্যস্ত হলে কয়েক মাস থেকে আজীবন নিষিদ্ধ হতে পারেন।
যদি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণার উদ্দেশ্যে এমন কিছু সেবন করে থাকলে সাধারণত চার বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অনিচ্ছাকৃত হলেও দুই বছর পর্যন্ত সব ধরনের ফুটবলীয় কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার শাস্তি হতে পারে।
এই নিয়ম শুধু নিষিদ্ধ পদার্থ শনাক্ত করাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ডোপিং কর্মকর্তার নির্দেশ না মানা, পরীক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানানো বা সঠিক অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য না দেওয়ার কারণেও শাস্তি হতে পারে।
এ ছাড়া নিষিদ্ধ পদার্থ পাচার, অন্য কাউকে নিয়ম ভাঙতে উৎসাহ দেওয়া বা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মতো গুরুতর অপরাধে কঠিন শাস্তি হতে পারে।