স্পষ্টভাষী অভিনেত্রী। সমালোচকদের কথা গায়ে না মেখে সবসময় নিজের ইচ্ছেমতো ছুটে চলেন তিনি। ভালোবেসে আপন করে নিতে পারেন মানুষকে, বলছি ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্ল্যামার নায়িকা পরীমণির কথা।
রিল লাইফ থেকে রিয়েল লাইফ—দুই জায়গাতেই তাকে নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও সবকিছুকে পেছনে ফেলে একজন সংগ্রামী নারী ও মমতাময়ী মা হিসেবেই এখন দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
এশিয়া পোস্টের ঈদুল আজহার বিশেষ আয়োজন ‘এপি স্টার’-এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন পরীমণি। যেখানে তিনি জানান তার জীবনের নানা অজানা কথা।
পরিচালকদের প্রসঙ্গ উঠলে পরীমণি জানান, অভিনয়জীবনে সবচেয়ে বেশি বকা খেয়েছেন নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাছে। উনি শুধু পরিচালকই নন, উনি একজন ওস্তাদ।
উপস্থাপিকা মৌসুমী হামিদের সঙ্গে আড্ডার এক পর্যায়ে এই অভিনেত্রী প্রেম নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন।
পরীমণি জানান, কোনো নায়কের সঙ্গে প্রেম করার ইচ্ছা তার কখনো হয়নি। এমনকি তার মাথাতেই আসেনি যে, হিরোর প্রেমে পড়তে হবে।
পরীর জীবনে তার প্রয়াত নানার ভূমিকা অপরিসীম। তাকে তিনি হৃদয় দিয়ে ভালোবাসতেন। তার চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না এই নায়িকা। একসময় ভাবতেন কী নিয়ে বেঁচে থাকবেন তিনি। এরপর তার কোলজুড়ে আসে ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য। এখন তাকে নিয়েই নায়িকার জীবন।
পরী বলেন, জীবন মানুষকে অনেক ধরনের পরীক্ষায় ফেলে দেয়। তার মধ্যে একটি পরীক্ষা ছিল আমার নানাকে হারিয়ে ফেলা। তার চলে যাওয়া আমাকে ভেতর থেকে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। আমি কী নিয়ে বাঁচব, তা যখন ভাবছিলাম, ঠিক তখনই আল্লাহ আমার কাছে পুণ্যকে পাঠালেন। এরপর ভাবলাম আল্লাহ যেমন নেন, তেমন দেনও। এখন আল্লাহ জীবনে যাকে (পুণ্য) দিয়েছেন, তার জন্য হাজার বছর বাঁচতে হবে।