* সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
* জামায়াত যেন সরকারি দলের অংশ : মান্না
* জনস্বার্থে রাজপথে জোরালো ভূমিকা রাখার ইঙ্গিত সিপিবির
* কার্যকর বিরোধী দলের শূন্যতা স্পষ্ট : সাইফুল হক
দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে এক নতুন বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে পাশ কাটিয়ে রাজপথে বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চায় মধ্যপন্থি, ইসলামি ও বাম ঘরানার বেশ কিছু ছোট রাজনৈতিক দল। জামায়াতের বিকল্প ইসলামি শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক দলগুলোকে নিয়ে একটি ঐক্যমঞ্চ গঠনের তৎপরতা শুরু করেছে হেফাজতে ইসলাম। এ নিয়ে এই ধারার দলগুলোর একাধিক বৈঠক করেছেন বলেও সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়টিকে ‘ছোট দলের বড় উদ্যোগ’ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
সূত্রে জানা গেছে, নাগরিক ঐক্য, সিপিবি, হেফাজতে ইসলাম ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামসহ কয়েকটি ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের নেতাদের দাবি, সংসদের বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী জনগণের স্বার্থে সরকারকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে না। তাদের কার্যক্রম প্রকৃত বিরোধী দলের মতো নয়।
ছোট দলগুলো মনে করছে, কেবল একটি বা দুটি দলের ওপর নির্ভর না করে জনগণের প্রকৃত দাবি আদায়ে একটি বিকল্প শক্তির প্রয়োজন। এই ভাবনা থেকেই মধ্যপন্থি ও বামপন্থি দলগুলো জোটবদ্ধ হয়ে রাজপথে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের লক্ষ্য হলো জামায়াতকে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে টেক্কা দিয়ে জনগণের আস্থার জায়গায় পৌঁছানো।
আদর্শিক ভিন্নতা সত্ত্বেও অভিন্ন লক্ষ্য এই উদ্যোগে শামিল দলগুলোর মধ্যে আদর্শিক বিস্তর ফারাক রয়েছে। একদিকে যেমন কট্টর বামপন্থি দলগুলো রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে ইসলামি ধারার দল এবং উদার মধ্যপন্থি রাজনৈতিক শক্তি। তবে তাদের সবার অভিন্ন লক্ষ্য হলোÑ বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থায় একটি ‘থার্ড ফোর্স’ বা তৃতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া এবং প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করা। দলগুলোর নীতিনির্ধারকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সীমাবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে তারা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে চায়।
বাম ঘরানার দলগুলো শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার নিয়ে সরব হচ্ছে, অন্যদিকে ইসলামি দলগুলো ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি সামাজিক ইনসাফের কথা বলছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ যদিও একে ‘ছোট দলের বড় উদ্যোগ’ বলা হচ্ছে, তবে এই পথচলায় অনেক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা এবং বড় দলগুলোর প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে নিজেদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা। তবে জোটভুক্ত দলগুলোর নেতারা আশাবাদী, তারা যদি রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকতে পারেন, তবে খুব দ্রুতই তারা দেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবেন এবং জামায়াতকে পেছনে ফেলে প্রকৃত বিরোধী দলের তকমা অর্জন করবেন বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ছোট রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের পরিবর্তে সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা সরকারকে কার্যকরভাবে চ্যালেঞ্জ না দিয়ে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে ভূমিকা পালন করছে। এ অবস্থায় একটি কার্যকর বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
এসব দলের নেতারা বলছেন, সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত বা জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কথা বলার মতো কার্যকর রাজনৈতিক শক্তি এখন নেই। অথচ একটি শক্তিশালী বিরোধী দলই সরকারকে জনগণের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন বা ব্যাপক জনসমর্থনের ইতিহাস রয়েছে এমন কোনো বিকল্প বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিও এখন দৃশ্যমান নয়। ফলে জনগণের পক্ষে সোচ্চার একটি কার্যকর রাজনৈতিক শক্তির অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। এমন বাস্তবতায় বিএনপি বা জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো একটি বিকল্প গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। তাদের লক্ষ্য, দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করে জনগণের প্রত্যাশার পক্ষে শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করা।
সংসদের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলের নেতারা মনে করেন, সরকার এখন পর্যন্ত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাক্সিক্ষত পথে চলা শুরু করেনি। সংসদের বিরোধী দলও তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর খুব অল্প সময় পার হয়েছে। তাই এখনই চূড়ান্ত মূল্যায়নের সুযোগ নেই। তবে জনগণের গুরুত্বপূর্ণ অনেক দাবি এখনো বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় কার্যকরের ক্ষেত্রেও সরকারের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে দলগুলোর মধ্যে।
কৃষকদের দুর্দশা নিরসনেও সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা চায় এসব রাজনৈতিক দল। দলগুলোর নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে বীজ, সার, সেচ সুবিধা ও কীটনাশক পাচ্ছেন না। বাজার সিন্ডিকেটের কারণে তাদের বেশি দামে কৃষি উপকরণ কিনতে হচ্ছে, পাশাপাশি শ্রম ব্যয়ও বেড়েছে।
উৎপাদিত ফসল বিক্রির সময় কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। মধ্যস্বত্বভোগীরা বিপুল মুনাফা করলেও কৃষক বঞ্চিত হচ্ছেন। ভোক্তাদেরও বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তাই সরকারের আরও দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা চায় দলগুলো।
চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, মাদক পাচার ও মাদকাসক্তির মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়ার দাবি এসব দলের নেতাদের।
তারা বলছেন, সংসদ ও রাজপথÑ কোনো ক্ষেত্রেই জামায়াতে ইসলামী এখন পর্যন্ত কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে পারেনি। ফলে জনগণের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে একটি তৃতীয় বা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন দলের মধ্যে এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত মতবিনিময় শুরু হয়েছে।
বিকল্প প্ল্যাটফর্ম গঠন প্রসঙ্গে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না গণমাধ্যমকে বলেন, জামায়াতে ইসলামী এমন ভূমিকা পালন করছে যেন তারা সরকারি দলের অংশ। অন্যদিকে সরকারও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। জামায়াত কার্যত বিএনপির সঙ্গেই রয়েছে। ফলে সমমনা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি বিকল্প গণতান্ত্রিক শক্তি গড়ে উঠতে পারে।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এখনো অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে নাগরিক ঐক্য বিএনপির সঙ্গে ছিল। তবে সর্বশেষ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে আমাকে দুটি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেগুলোতেও ধানের শীষের প্রার্থী দেওয়া হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব তৈরি হয় বলে জানান মান্না।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স গণমাধ্যমকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো পর্যালোচনার কাজ বর্তমান সরকার এখনো শুরু করেনি। শিল্প খাতে চলমান গ্যাস সংকট নিরসনেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গণপিটুনি, ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড, মাদকাসক্তি ও চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়েছে। তিনি মনে করছেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী অনেক ক্ষেত্রেই সরকারপক্ষের সহযোগী শক্তির মতো আচরণ করছে।
সিপিবির এই নেতা বলেন, দেশে কার্যকর বিরোধী দলের একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে। জনগণ ও রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলার জন্য সমমনা গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তিগুলোকে নিয়ে একটি বিকল্প রাজনৈতিক জোট গঠনের বিষয়ে আমরা আলোচনা শুরু করেছি।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নের জন্য খুব অল্প সময় হয়েছে। তবে কার্যকর বিরোধীদলের একটি শূন্যতা রয়েছে, সেটি স্পষ্ট।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই শূন্যতা পূরণে একটি জোট গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি। জনগণ ও দেশের স্বার্থে ইতিবাচক পদক্ষেপকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে জনগণ বা দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ হলে অবশ্যই তার বিরোধিতা করব।
জামায়াতে ইসলামী কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকায় নেই দাবি করে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন হলে অন্য যেকোনো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিরোধী জোট গঠন প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম আলী রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে কার্যকর বিরোধী শক্তি প্রয়োজন। তবে বর্তমান সরকার এখনও নতুন। তাই তাদের কার্যক্রমের চূড়ান্ত মূল্যায়নের সময় এখনো আসেনি বলে মনে করছেন তিনি।
এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরও বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী অতীতে জোটে থাকলেও এখন তারা নিজ নিজ রাজনৈতিক অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখছে। জামায়াত কখনো আওয়ামী লীগের বিকল্প নয়; আবার বিরোধী রাজনীতির নামে সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপের অন্ধ বিরোধিতাও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
ড. এস এম আলী রেজা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠনমূলক সমালোচনার একটি নতুন রাজনৈতিক ধারা দেখা যাচ্ছে, যা ইতিবাচক। সরকার ভালো না খারাপ-তা না দেখে সবকিছুর বিরোধিতা করা বিরোধী দলের দায়িত্ব হতে পারে না।
তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিকল্প বিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তি গঠনের সুযোগ সবসময়ই থাকে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর আগে জনগণের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। কার্যকর বিরোধী জোট গড়ে উঠলে তা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনাকে তারা সবসময়ই স্বাগত জানাই।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার জনগণ, দেশ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি বলেন, সরকার কোনো ভুল করলে তা দেখিয়ে দিতে রাজপথে বিরোধী জোট গঠিত হলে সেটিকে স্বাগত জানানো হবে। বিরোধী কণ্ঠস্বর শুনে বিএনপি কখনোই স্বৈরাচারী শাসকদের মতো ক্ষুব্ধ হবে না।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের মুখপাত্র ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময়ই গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। শুধু জুলাই অভ্যুত্থানের পর নয়, অতীতেও আমাদের দল কখনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়নি।
তিনি বলেন, দেশের জন্য ইতিবাচক যেকোনো উদ্যোগে আমরা সরকারকে সমর্থন করেছি। একইভাবে জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ দেখলে তার প্রতিবাদও জানিয়েছি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, সরকারি দলের অনিয়মের প্রতিবাদে আমাদের সংসদ সদস্যরা অন্য বিরোধী সদস্যদের সঙ্গে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন। একইভাবে জুলাই সনদ ও গণভোটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাজপথেও কর্মসূচি পালন করেছি।
মাজাহারুল ইসলাম