গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের পক্ষে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই প্রস্তাব তুলে ধরেন।
সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই নেতা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, যেহেতু অতীতে ছাত্রলীগ করা ব্যক্তিরা বর্তমানে এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) করতে পারছেন, তবে অতীতে আওয়ামী লীগ করা ব্যক্তিরা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ হিসেবে রাজনীতি করতে পারবেন না?
রাশেদ খান লেখেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল দল, এদের সবাইকে আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে দিয়ে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত।
তিনি পরামর্শ দেন যে, আওয়ামী লীগের সদস্যদের কেউ এনসিপিতে, কেউ জামায়াতে, আবার কেউ ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ হিসেবে নতুন করে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
পোস্টে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আশা করি এটাতে মাননীয় এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করে কণ্ঠভোটে পাস করিয়ে আনবেন।
উল্লেখ্য, মুহাম্মদ রাশেদ খান ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে নুরুল হক নুরের সঙ্গে রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং গণঅধিকার পরিষদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি ঝিনাইদহ-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।